Saturday, 8 June 2013

এলিমেন্টস(Elements): এলিমেন্টস হল HTML এর মুল কেন্দ্রবিন্দু।তারা HTML page এর প্রতেকটি টেক্সটের অংশকে বর্ননা করে। এলিমেন্টস গুলো ট্যাগ(tag) এর মাধ্যমে তৈরী। HTML এলিমেন্টগুলি অনেক স্তরে বিদ্যমান।সবকিছু যা আপনার চোখের সামনে Web page এ বিদ্যমান তা হতে পারে Paragraph text, কোন ব্যনার,নেভিগেশন লিংক ইত্যাদি সব কিছুই elements এই পেজটির।
একটি এলিমেন্ট(Element) মুল তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। শুরু করার ট্যাগ(opening tag) ,এলিমেন্ট এর ধারনকৃত অংশ এবং শেষে বন্ধ করার ট্যাগ(closing tag) ।
  1. <p> - opening paragraph tag
  2. Element Content - paragraph words
  3. </p> - closing tag
প্রত্যেক Web page এর অতিব প্রয়োজনীয় চারটি এলিমেন্ট(Element) থাকে এগুলো হলো্: HTML,head, title এবং body elements । এগুলো বিষয়ে নিচে আলোচনা করা হয়েছে।
<html> Element...</html>
সবার প্রথমে HTML লেখার শুরুতে HTML শব্দের প্রথমে এবং শেষে less than  ও  greater than ( < >) চিহ্ন দিতে হয়। যেমন: <html> । কোন কিছু লেখার পর শেষে </html> ট্যাগটি দিতে হবে। অর্থাৎ <html> Welcome to Bangladesh </html>। Welcome to Bangladesh এই লেখাটি Web page এ প্রদশিত হবে।আমরা খুব সহজে Notepad এ লিখে Web page তৈরী করতে পারি। এজন্য আমদের Notepad Open করতে হবে। প্রথমে
start মেনু    All Programs > Accessories >Notepad
তারপর Notepad হবার পর নিম্নের কোডটি লিখবো
1.<html>
2.Welcome to Bangladesh
3.</html>
এভাবে লেখার পর Notepad এর ফাইল মেনু হতে save এ ক্লিক করব তারপর index.html নামে save করব।
সেভ করা ফাইলটিকে Double click করে open করবো । দেখবো যে লেখাটি Browser এ open হয়েছে। খুব সহজে একটা web Page তৈরী হয়ে গেলো।
<head> element
একটি ডকুমেন্ট head,  ডকুমেন্ট সস্বন্ধে মৌলিক ধারনা দেয়। <head> elements যা পেজের header নির্দেশ করে। head elements এর মধ্যে রাখা ট্যাগ সরাসরি ব্রাউজারে প্রদর্শিত হয় না। আমরা টাইটেল এলিমেন্ট এর মাধ্যমে প্রকাশ করতে পারি।
<title> element
<head> এলিমেন্ট এর মাঝে <title> এলিমেন্ট রাখতে হয়। যেই  শব্দগুলো title elements এর opening (<title>)এবং closing(</title>) tag এর মধ্যে লেখা হয় তা browser এর টাইটেল বা শিরোনাম হিসাবে প্রদর্শিত হয়।
1.<html>
2.<head>
3.<title> My WebPage!</title>
4.</head>
5.</html>
<body> element
body element যা web page এর প্রদর্শিত সকল বিষয় গুলো ধারন করে। যে সব বিষয় গুলো আমরা web page এ দেখাতে চাই তা body element ট্যাগ এর মধ্যে রাখতে হয়।
1.<html>
2.<head>
3.<title>My WebPage!</title>
4.</head>
5.<body>
6.Hello World! All my content goes here!
7.</body>
8.</html>
এই কোডগুলি নোটপ্যাডে কপি পেস্ট করে .html extension দিয়ে সেভ করে যেকোন ব্রাউজারে খুলুন এবং নিজের তৈরী প্রথম ওয়েব পেজ দেখুন।

Sunday, 2 June 2013

c programming


#include<stdio.h>
#include<conio.h>

void main(){
int digits, num=1234, newNum=0;
clrscr();
while(num!=0){
newNum=newNum*10 + num%10;
num=num/10;
}
printf("\n");
printf("%d", newNum);
getch();
}

Output:

4321

Sunday, 19 May 2013

bdnewssss........surja,mr।

মিদাত হত্যা: সৌরভের ফাঁসির আদেশ

চট্টগ্রামের আলোচিত মিদাত হত্যা মামলায় তার ‘বন্ধু’ এস এম তোহা ওরফে সৌরভকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

 0
 0
 0      Print Friendly and PDF
চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক রেজা তারেক মাহমুদ রোববার এ আদেশ দেন।
এ আদালতের পিপি আইয়ুব খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে বলেছেন।
একইসঙ্গে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে সৌরভকে।
চট্টগ্রামের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির বিবিএর শিক্ষার্থী মিদাত শারিমা রহমানকে ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর আমিরবাগ আবাসিক হাউজিং সোসাইটির এলাকার একটি বাসার ছাদে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়।

মিদাত শারিমা রহমান
মিদাত শারিমা রহমান
এস এম তোহা ওরফে সৌরভ
এস এম তোহা ওরফে সৌরভ
ওই হত্যাকাণ্ডের পর সৌরভ গ্রেপ্তার হলেও উচ্চ আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে তিনি পালিয়ে যান। মামলার নথি থেকে জানা যায়, আমীরবাগ হাউজিং সোসাইটির আইডিয়াল হোমসের ছাদে কয়েকজন বন্ধু মিলে আড্ডা দেয়ার সময় সৌরভের ছুরিকাঘাতে নিহত হন মিদাত।
তার বাবা মিজানুর রহমান পরদিন কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
কোতয়ালি থানার তখনকার উপ-পরিদর্শক সদীপ কুমার দাশ ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি সৌরভের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। একই বছরের ৩ মে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত।
২০ জন সাক্ষীর বক্তব্য শুনে রোববার রায় দিল আদালত।

Friday, 10 May 2013

SURJA MOHAN ROY......................: মাকে হারিয়েও দমেনি নুমিয়া

SURJA MOHAN ROY......................: মাকে হারিয়েও দমেনি নুমিয়া: ওরা দুর্বার মাকে হারি...

মাকে হারিয়েও দমেনি নুমিয়া


ওরা দুর্বার

মাকে হারিয়েও দমেনি নুমিয়া

বগুড়া প্রতিনিধি
বড় বোনের সঙ্গে নুমিয়া নাহার (ডানে) ষ বড় বোনের সঙ্গে নুমিয়া নাহার (ডানে) ষ
ছবি: প্রথম আলো
শৈশবে বাবাকে হারিয়েছিল নুমিয়া নাহার। এসএসসি পরীক্ষার দিন বাবা মারা যাওয়ায় বড় বোন লুৎফুন্নাহারের পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। বাবার অবর্তমানে মা দৌলতুন্নেছা দুই বোনকে স্নেহ দিয়ে বড় করে তুলছিলেন। নুমিয়াকে ভর্তি করে দিয়েছিলেন বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে। মায়ের অনুপ্রেরণায় এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল সে।
কিন্তু বাংলা দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষার দিন মা মারা যান। মায়ের শোকে ভেঙে পড়ে নুমিয়া। ওই দিন আর পরীক্ষা দেওয়া হয় না তার। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় পরের পরীক্ষাগুলোও না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সে।
বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী নুমিয়া পরীক্ষায় অংশ নেবে না, এমন খবরে ছুটে যান শিক্ষকেরা। তাঁরা নুমিয়াকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, বোর্ডের সেরা প্রতিষ্ঠান। একজন ছাত্রী অনুপস্থিত থাকলে সার্বিক ফলাফল পাল্টে যাবে। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে, মনোবল শক্ত করে নুমিয়াকে তাঁরা পরীক্ষায় অংশ নিতে বলেন। শিক্ষকদের অনুরোধ আর সান্ত্বনায় পরের পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেয় সে। এক বিষয়ে অনুপস্থিত থেকেও জিপিএ-৪ দশমিক ৭৫ পেয়েছে নুমিয়া। তবে পারিবারিক এ বিয়োগান্তক ঘটনা বিদ্যালয়টির ফলাফলের সার্বিক সাফল্য পাল্টে দিয়েছে। গত বছরের বোর্ডের সেরা থেকে এবার তৃতীয় স্থানে ছিটকে পড়েছে বগুড়ার সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়। নুমিয়া শিক্ষকদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রধান শিক্ষক রাবেয়া খাতুন তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় অন্য শিক্ষকেরাও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
রাবেয়া খাতুন বলেন, ‘পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় মা। সেই মাকে হারিয়ে শোকে পাথর হয়ে পড়েছিল নুমিয়া। পরীক্ষা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানার পর আমরা ছুটে যাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘একটি পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার পরও নুমিয়া যে ফলাফল করেছে তাতে আমরা খুশি।’ নুমিয়া জানায়, মায়ের মৃত্যু তার জীবনের সবকিছু পাল্টে দেয়। শিক্ষকদের অনুরোধে শুধু পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল সে। তবে তার বিদ্যালয় বোর্ডের সেরা না হওয়ায় খুব খারাপ লাগছে।

ভবনধসে আহত জিয়াউর জিপিএ-৫ পেয়েছে


ভবনধসে আহত জিয়াউর জিপিএ-৫ পেয়েছে

সোহরাব পাশা, ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) | তারিখ: ১১-০৫-২০১৩
জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমান
অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। কলেজে ভর্তি হওয়ার টাকা জোগাড় করতে চাকরি নিয়েছিল সাভারের রানা প্লাজায় অবস্থিত ফ্যানটম টেক কারখানায়। কিন্তু ২৪ এপ্রিল ভবনধসে আটকা পড়ে সে। পরের দিন সন্ধ্যায় আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাকে।
মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা সেই ছেলেটি এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে। নাম তার জিয়াউর রহমান। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে তার বাড়ি।
মুঠোফোনে সাফল্যের খবর পেলেও ঈশ্বরগঞ্জ যেতে পারেনি জিয়া। বকেয়া বেতনের টাকার জন্য এক সপ্তাহ ধরে সাভারে অবস্থান করেছে সে। অবশেষে গতকাল শুক্রবার রাত সোয়া আটটার দিকে আট হাজার ২০ টাকা বেতন পায় সে।
জিয়া যে বিদ্যালয়ে পড়েছে, ঈশ্বরগঞ্জের সেই বিশ্বেশ্বরী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল হাশিম বললেন, ‘জিয়া দরিদ্র হলেও সব শ্রেণীতে প্রথম হতো। নিরলস পরিশ্রম করে সে জিপিএ-৫ পেয়েছে।’
গত বৃহস্পতিবার জিয়াদের নওপাড়া গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তালাবদ্ধ জরাজীর্ণ একটি কুঁড়েঘর। একজন প্রতিবেশী জানান, ওই ঘরটি ছাড়া জিয়াদের আরও কোনো সম্বল নেই। দুই বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে জিয়া তৃতীয়। বোনদের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট ভাই ঢাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকে।
জিয়ার সাফল্যে খুশি বাবা আবদুল হেলিম ফকির। একই সঙ্গে উদ্বিগ্ন তিনি, ‘ওকে কীভাবে কলেজে ভর্তি করাব—এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
গতকাল মুঠোফোনে জিয়া জানাল, ১ এপ্রিল সে ফ্যানটম টেক কারখানায় প্রোডাকশন রিপোর্টার হিসেবে তিন হাজার ৬০০ টাকা বেতনে চাকরি নেয়। তার পরিচিতি নম্বর ১৯৩২।
জিয়া বলল, ‘নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে আমার নতুন জন্ম হয়েছে। ভবিষ্যতে চিকিৎসক, নয়তো প্রকৌশলী হতে চাই।’

SURJA


Blog Archive